বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩

দুর্জয় বাংলা || Durjoy Bangla
শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নেত্রকোনা

শহীদ মুক্তিযোদ্ধা নেত্রকোনা

মহান মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণার অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পর নেত্রকোণার সর্বস্তরের মানুষ স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জেলার কেন্দুয়া, দুর্গাপুর, পূর্বধলা, কলমাকান্দা, বারহাট্টা, মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা সংগঠিত হয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ২৯ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী নেত্রকোণা শহরে প্রবেশ করলেও জেলার বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে একাধিক সম্মুখযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বহু বীর সন্তান শহীদ হন। জেলার পাহাড়ি সীমান্ত, হাওরাঞ্চল ও দুর্গম ভৌগোলিক পরিবেশ মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা অভিযান পরিচালনায় বিশেষ সহায়তা করেছিল। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর ৯ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে নেত্রকোণা শত্রুমুক্ত হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে নেত্রকোণার বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ ও নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগ স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

দুর্জয় বাংলা
দুর্জয় বাংলা
প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

প্রযুক্তির যুগে ঈদকার্ড বিক্রির সেই সোনালি দিন

বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠের আওয়াজ এখনও নেত্রকোণার হাওরে ঢেউ তুলে

বঙ্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠের আওয়াজ এখনও নেত্রকোণার হাওরে ঢেউ তুলে

বঙ্গবন্ধুর নেত্রকোণায় প্রথম আগমন ১৯৫৩ সালে। ময়মনসিংহ থেকে তিনি সড়ক পথে নেত্রকোণা এসেছিলেন এবং শহরের নিকটবর্তী পারলা গ্রামে প্রবেশের সাথে সাথেই মুসলিমলীগের গুন্ডবাহিনীর দ্বারা আক্রান্ত হন। পারলা গ্রামের জোতদার বাবু যোগেশ চন্দ্র তালুকদারের বাড়ির সামনেই শেখ মুজিবকে বহনকারী গাড়িটি আক্রান্ত হয়। পরিস্থিতির জটিল আকারে পৌঁছে গেলে যোগেশ চন্দ্র তালুকদার তাঁর দুনালা বন্দুক দিয়ে ফাঁকা গুলিবর্ষণ করতে শুরু করলে গুন্ডারা পালিয়ে যায়। শেখ মুজিব শহরের দক্ষিণ গোদারা ঘাট (বর্তমানে মোক্তারপাড়া ব্রীজ) দিয়ে শহরে প্রবেশ করেন।

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকার নেবে না। এই সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন?

বিরহী বাউল উকিল মুন্সি

বিরহী বাউল উকিল মুন্সি

ছিলেন মসজিদের ইমাম। মুসুল্লিদের নামাজ পড়াতেন। কুরআন-কেতাব পড়তেন। জানাজায় ইমামতি করতেন। আবার একই সঙ্গে বাউল গান গেয়ে মাতিয়ে তুলতেন ভক্তদের আসর। ইমামতি করার কারণে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে তিনি ছিলেন- ‘উকিল মুন্সি’। আবার বাউল গান করার কারণে ভক্তদের কাছে তিনি ছিলেন- ‘উকিল বাউল’। আর একই সঙ্গে দু-দুটো পেশার কারণে দিনে দিনে সবার কাছে ওঠেছিলেন ‘বাউল উকিল মুন্সি’। হ্যাঁ, এমনই এক ব্যতিক্রম চরিত্রের মানুষ ছিলেন তিনি। একই সঙ্গে বাউল গান ও ইমামতি করার মতো এমন উদাহরণ দ্বিতীয়টি আছে কি-না আমার জানা নেই। বোধকরি নিকট ভবিষ্যতেও এমন একটি চরিত্র পাওয়া দুষ্কর হবে। আর এ কারণেই আজকের সমাজ ব্যবস্থায় উকিল মুন্সি চরিত্রটি যেমন ব্যতিক্রম, তেমনি তার জীবনাচরণও বিষ্ময়কর!