শনিবার, অক্টোবর ১, ২০২২

আইনজীবী হত্যার জেরে১৩ কোটি টাকা লুঠপাট- ভাংচুরের অভিযোগে সেনা ও পুলিশ সদস্যসহ ৫৪ জনের নামে মামলা

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

- Advertisement -

নেত্রকোনার মদনে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হত্যার জেরে১৩ কোটি টাকার ভাংচুর ও লুঠপাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে প্রতিপক্ষ।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার রাতে সানারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে মদন থানায় দ্রুত বিচার আইনে এ মামলা দায়ের করেন। এতে সেনা সদস্য কিরণ চৌধুরী ও পুলিশ সদস্য মানিক মিয়া সহ ৫৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মদন উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ছালাকান্দা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ফারুখ মিয়া ও একই গ্রামের ইমদাদুল হক চৌধুরীর গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে গত ৭ জুলাই উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। দুপুরে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হক তাদের বাড়ির সামনে গেলে ফারুখ মেম্বারের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। ঘটনা স্থলেই আইনজীবীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ৪৮ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ইমদাদুল হক। এরই জেরে ফারুখ মিয়ার লোকজনের বাড়ি-ঘর ভাংচুর করা হয়।

- Advertisement -

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ফারুখ মিয়ার লোকজনের ৭৯ টি গরু, প্রায় ৩ হাজার মণ ধান, ১ শত মণ চাল, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, হাঁস-মুরগি, কৃষি যন্ত্রপাতি ও আসবাব পত্র লুঠ করে নিয়ে যায় যার আনুমানিক মূল্য ১৩ কোটি চার হাজার টাকা। এছাড়াও অধিকাংশ ঘর-বাড়ি নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সামারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে নিহত শিক্ষানবিশ আইনজীবী হাফিজুল হক চৌধুরীর বাবা ইমদাদুল হক চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে লুঠপাট ও ভাংচুর মামলা দায়ের করেছেন।

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, হাফিজুল হক হত্যাকান্ডের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজনের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাটের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। পাশাপাশি আসামি ধরার চেষ্টা চলছে।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে মাদ্রাসার জমি সংক্রান্ত জটিলতায় ভবন নির্মান কাজ বন্ধ

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

জনপ্রিয় সংবাদ