শনিবার, অক্টোবর ১, ২০২২

ইসলামপুর সাব রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার দূর্নীতি

হোসেন শাহ্ ফকির, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি :

- Advertisement -

জামালপুরের ইসলামপুর সাব রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। মাত্র কয়েক বছরের চাকুরী জীবনে কামিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা।

- Advertisement -

জানাযায়, ইসলামপুর সাব রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা ইসলামপুরে যোগদান করার পর থেকেই নানা ধরণের সুযোগ গ্রহণ করে হাতিয়ে নিয়েছেন অনেক অর্থ। কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে বিআরএস রেকর্ড, পর্চা, খাজনা রশিদ না দেখে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণের মাধ্যমে জমি রেজিষ্ট্রি দলিল পার করে দিচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, সাব রেজিষ্টার আয়েশা সিদ্দিকা দলিল রেজিষ্ট্রিকরণ সরকারি বিধির বাইরে বিআরএস রেকর্ডের ফটোকপি দিয়া দলিল রেজিষ্ট্রেশন করেন। এসব করতে গিয়ে দলিল নং ২৫৭৬ তারিখ:২৩/৫/২২ ইসলামপুর ঠাকুরগঞ্জ নিত্যবাজারের সরকারি সম্পত্তি চান্দিনা ভিটা যাহা জেলা প্রশাসক জামালপুরের নামে রেকর্ড ভূক্ত। এই সম্পত্তি সাব রেজিষ্ট্রার অফিসে উল্লেখিত দলিলে রেজিষ্ট্রি হয়।

- Advertisement -

দলিল নং ৪২৭৭ তারিখ: ১৭/০৮/২০২২, দলিল নং- ৪২৭৮,তারিখ: ১৭/০৮/২০২২ এই রেজিষ্ট্রেশন দলিলের সম্পত্তি স্বশিকা নামে সমিতির নামে নিবন্ধিত (পারি নামে এই সমিতির পরিচিতি আছে)। নিবন্ধিত সমিতির জমি সমবায় অধিদপ্তরের নামে নিবন্ধন ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধন আইনের বাইরে সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে দলিল রেজিষ্ট্রি হয়।

ইতিপূর্বে দৈনিক তথ্যধারা ও দৈনিক শব্দ মিছিল পত্রিকায় ইসলামপুর রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার নামে দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়।

- Advertisement -

সাব রেজিষ্ট্রার অফিসের সাবেক অফিস সহকারী মঞ্জুয়ারা আক্তার গত ১৯/০৫/২২ তারিখে সাব রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা দলিল টেম্প্রারিং করে এ বিষয়ে জামালপুর জেলা রেজিষ্ট্রার বরাবর অভিযোগ করার পর অফিস সহকারী মঞ্জুয়ারা আক্তারকে অন্যত্র বদলী করে দেন।

ইসলামপুর সাব রেজিষ্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা দূর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর। তিনি দলিল পার করার সময় মূল কাগজপত্র না দেখে ফটোকপি কাগজপত্রের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে দলিল পার করেন। যার নানা কার্যকলাপ ইতিপূর্বে প্রমাণিত হয়েছে। মাত্র কয়েক বছরের চাকুরী করে সে বিশাল টাকার মালিক বনে গেছেন বলে অভিযোগও পাওয়া গেছে।

রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে মোঃ মনিরুজ্জামান মনি নামে জনৈক এক ব্যক্তি তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর আওতায় উল্লেখিত দলিল গুলি সরবরাহের জন্য আবেদন করেছেন। এই কাগজ পত্র সংগ্রহ করা হলো মোঃ মনিরুজ্জামান দুর্নীতি দমন কমিশনে মোকদ্দমার প্রস্তুত নিবেন বলে জানাগেছে।

তাই তিনি জেলা রেজিষ্ট্রার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাছে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আবেদন করেন।

সরকারি সম্পত্তি যাহা রেজিষ্ট্রি হয়েছে তার জন্য সরকারি বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি আশাবাদী।

আরও পড়ুন শ্রীনগরে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

জনপ্রিয় সংবাদ