Saturday, January 28, 2023

কম দামে অগ্রীম ইট বিক্রির ৫ কোটি টাকা নিয়ে এলাকা ছাড়লেন ভাটার মালিক

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, বিশেষ প্রতিনিধি

- Advertisement -

কম দামে অগ্রীম ইট বিক্রির ৫ কোটি টাকা নিয়ে এলাকা ছাড়লেন ভাটার মালিক। যারা টাকা দিয়েছেন, তারা দিনের পর দিন ঘুরেও কোন টাকা পাচ্ছেননা। এতে তাদের মাথায় হাত পরেছে।

- Advertisement -

কেন্দুয়া উপজেলার রামপুর বাজার ও সিংহেরগাঁও এলাকায় ফসলী জমি ভাড়া নিয়ে প্রায় ৪ বছর ধরে এ্যাপেক্স ও সনি নামের দুটি ইট ভাটার ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন, ঢাকা সাভার এলাকার বাসিন্দা মোঃ সাদেক হোসেন ও সাকিল মিয়া। কিছুদিন আগে থেকে তারা ওই এলাকার বিভিন্ন ধনাঢ্য ব্যক্তির কাছ থেকে কম দামে অর্থাৎ ১ হাজার ইটের দাম যেখানে ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা বিক্রি হচ্ছে, সেখানে তারা ১ হাজার ইট মাত্র ৬ হাজার টাকায় অগ্রীম বিক্রি করে শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে দুজনে প্রায় ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভাটার সরঞ্জামাদি ফেলে রেখে এলাকা ছেড়ে গাঁ ঢাকা দিয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

চলতি বছর ও আগের বছরের মতো ইট পোড়ানোর জন্য কাচামাল সংগ্রহ করে শ্রমিক দিয়ে ইট তৈরির কাজ শুরু করেন তারা। কিন্তু বর্তমান বাজারে এক হাজার ইটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকা থাকলেও তারা বিভিন্ন ক্রেতাদের কাছ থেকে কৌশলে অগ্রীম ১ হাজার ইট ৬ হাজার টাকায় বিক্রি করে ইট ভাটার সরঞ্জামাদি ফেলে রেখে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছেন। তারা ছাদেক ও সাকিলের সাথে যোগাযোগ করেও কোন আশ্বাস পাচ্ছেন না।

- Advertisement -

রামপুর এলাকার সজল জানান, তিনি ৬ হাজার টাকা হাজার ধরে ১৭ লাখ টাকার ইট কিনেছেন। একই ভাবে শহিদুল্লাহ ৬২ লাখ ও সাদ্দাম ২০ লাখ টাকার ইট কিনে ভাটার মালিক সাদেকের কাছে টাকা দিয়েছেন। সজল জানান আমার মতো এরকম অনেক লোকের কাছ থেকে তারা অগ্রীম ইট বিক্রি করে প্রায় ৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন এ্যাপেক্স ব্রিক্সের মালিক সাদেক হোসেন। তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টাকা দিয়ে থাকলে টাকা সময়মতো পাবেন, এ নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। অনেকেই সস্তায় ইট পেয়ে কিনেছেন, আবার অনেকেই ব্যবসার জন্য কিনেছেন।

এ ব্যাপারে সনি ব্রিক্সের মালিক সাকিলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অনুমোদনহীন ইট ব্যবসা করতে এসে সরকারের অনেক সংস্থাকে জরিমানা দিতে হয়েছে। যাদের সাথে ব্যবসার শেয়ার ছিল সেই শেয়ার হোল্ডারদের কাছে ব্যবসা বুঝিয়ে দিয়ে চলে এসেছি। আমি লসে আছি কারো কোন টাকা আমি ইট বিক্রি করে আনিনি। এ্যাপেক্স ব্রিক্সের মালিক সাদেক হোসেন বলেন, এলাকাবাসীর বিভিন্ন অত্যাচারের প্রেক্ষিতেই আমরা ব্যবসা ছাড়তে বাধ্য হয়েছি। আমার কাছে যারা টাকা পাবে তাদেরকে সময়মতো টাকা বুঝিয়ে দেব। তবে ৫ কোটি টাকা নিয়ে উধাও হয়েছি, এ কথা ঠিক নয়।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: আটপাড়ায় নির্বাহী অফিসারের তদারকিতে এসএসসি-২২ এর ফলাফলে A+ ৮৮ জন

- Advertisement -
সম্পর্কিত সংবাদ
- Advertisment -

সর্বশেষ সংবাদ