শনিবার, অক্টোবর ১, ২০২২

কেন্দুয়ায় প্রাথমিক শিক্ষার বারোটা বেজে গেছে!

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

- Advertisement -

নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, শিক্ষক স্বল্পতা ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা কম থাকার কারণে প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু কোন তদারকি না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষার বারোটা বেজে গেছে। শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শূন্য থাকার পরও পদগুলো পূরণে কোন উদ্যোগ নেই কর্তৃপক্ষের। ফলে মুখ থুবরে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষার

- Advertisement -

কেন্দুয়া উপজেলায় ১৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে এর মধ্যে ৪৭টি প্রধান শিক্ষকের পদ ও ৭১টি সহকারি শিক্ষকের সহ ১১৮টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া নেই উপজেলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। ৭ টি ক্লাস্টারে ৭ জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা থাকলেও শূন্য রয়েছে ৪টি পদ। এছাড়া অফিস সহকারি ৩টি এমএলএসএস ১টি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। পাঠদান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত না হওয়ায় শিক্ষার হারও কমে গেছে। দিন দিনই পিছিয়ে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম।

ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা তাছলিমা বেগম বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। তিনি বলেন, একজন উপজেলা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ৪ জন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও ৩ জন অফিস সহকারি না থাকায় জোড়াতালি দিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। গত জানুয়ারির প্রথম দিকে ঝড়ে পড়ার শিক্ষার্থীর হার ১৮% কমে গেলেও এর পরিমান আরো বেশি হবে। তিনি প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমকে বেগবান করতে জরুরী ভিত্তিতে শূন্যপদ পূরণ করতে হবে।

- Advertisement -

কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, একটি এলাকাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে প্রাথমিক শিক্ষাকে মানসম্মত করার দিকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষক সহ সহকারি শিক্ষকদের শূন্য পদ পূরনের জন্য জোর দাবি রাখেন।

আরও পড়ুন: বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকীতে ৮ নারী পেলেন সেলাই মেশিন

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

জনপ্রিয় সংবাদ