সোমবার, আগস্ট ১৫, ২০২২

জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনের গেজেট স্থগিতাদেশ

চেয়ে পুনরায় ভোট গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন

- Advertisement -

গত ১৫ জুন জৈন্তাপুর উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং
ওয়ার্ডে উপ-নিবার্চনে প্রতিদ্ব›িদ্ব প্রার্থীগণ ফলাফল প্রত্যাখান করে সরকারী গেজেট
স্থগিতাদেশ চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুনরায় আসামপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পুনরায়
ভোট গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। গত ২৯ জুন বুধবার দুপুর ২টায় জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবী
জানান নিবার্চনে সদস্য পদ প্রার্থী মো: ফারুক আহমদ।

- Advertisement -

তিনি লিখিত বক্তব্যে নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখান করে অংশ গ্রহনকারী ৪জন প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থীরর
পক্ষে ফলাফলের সরকারী গেজেট স্থগিতাদেশ্#৩৯;র দাবী জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিবার্চন কমিশন
সচিব বরাবরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। যার ডকেট নম্বর ১৫৩৮৬, তারিখ- ২৬ জুন২০২২ইং।
এতে আর বলা হয়, নিবার্চনের ফলাফল স্থগিত চেয়ে তিনি সহ তার প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থী মো: মতিন
মিয়া ভোটদিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-বশিরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও
রিটানিং কর্মকর্তা আবুল হাসানত এবং আসামপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের
প্রিজাইডিং অফির্সা#৩৯;র নিকট পৃথক ভাবে লিখিত আবেদন দিয়েছিলেন।

এই ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহনের জন্য সেন্টার নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখানে মোট
ভোটার সংখ্যা ২ হাজার ৭৯ জন। পুরুষ ১ হাজার ৮৩জন, মহিলা ৯ শত ৯৬ জন।
মোকামবাড়ি সরকারী প্রাথিমক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ১ হাজার ১ শত ৬০জন, আসামপাড়া সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ৯ শত ১৯ জন ভোটার রয়েছেন।
১৫জুন অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোট গ্রহনের দিনে আসামপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট
কেন্দ্র বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এতে ভোটারগণ ভোট দিতে পারেন নাই। এই কেন্দ্রে মোট
৯১৯ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৬জন ভোট দিয়েছেন। মোকামবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
পাহাড়ী এলাকায় হওয়ায় এই কেন্দ্রে ৮শত ২৬টা ভোট কাস্টিং হয়েছে।
নির্বাচনের এই ফলাফল প্রত্যাখান করে প্রতিদ্বন্ধসঢ়;দ্বী প্রার্থী মো: ফারুক আহমদ ও মো: মতিন
মিয়ার পক্ষে পৃথক ভাবে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল।

- Advertisement -

এতে উল্লেখ করা হয়েছে ১নং ওয়ার্ডের উপ- নির্বাচনে আসামপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
ভোট কেন্দ্রের আওতাধীন ১নং লক্ষীপুর গ্রামের মানুষের বসতবাড়িতে বন্যার পানি প্রবেশ করায় এবং
ভোট কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কেউ ভোট দিতে আসেন নাই।
ভোটের দিন সকাল ৯টার সময় প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ সরজমিনে কেন্দ্র পরিদর্শন কালে প্রার্থীর
এই কেন্দ্রে ভোট গ্রহন কাজ স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান।
প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ ভোট স্থগিত রাখার বিষয়ে মৌখিক ভাবে প্রার্থী ও জনসাধারণ কে
আশ্বাস দেন।

কিন্তু রাতে উপজেলায় রিটানিং অফিসার কর্তৃক ফলাফল ঘোষনা করা হলে এতে দেখা যায়
প্রিজাইডিং অফিসার কর্তৃক এই সেন্টারে ১৬টা ভোট কাস্টিং হিসাবে দেখানো হয়েছে।
এনিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য করা হয়েছে যে, আসামপাড়া সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থীদের কে লিখিত বা
মৌখিক ভাবে না জানিয়ে প্রিজাইডিং অফিসার পাশ্ববর্তী রাংপানি ক্যাপ্টেন রশিদ উচ্চ
বিদ্যালয়ে নির্বাচনী কাজে স¤পৃক্ত জনবল নিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। ভোটের দিনে ভারী বৃষ্টিপাত
হওয়ায় তিনি সারাদিন সেখানে অবস্থান করেন। রাতে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে এই কেন্দ্রের
ফলাফল ঘোষনা করেন। এতে প্রতিদ্বদ্বিকারী প্রার্থীগণ প্রতিবাদ জানান।

- Advertisement -

আসামপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এই কেন্দ্রের
ভোট গ্রহনের ফলাফল স্থগিত ও ফলাফলের সরকারী গেজেট স্থগিতাদেশ রাখতে প্রতিদ্বদ্বি প্রার্থীগণ
নির্বাচন কমিশন সহ প্রশাসনের নিকট আহবান জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মলেনে উপস্থিত ছিলেন প্রতিদ্বদ্বি সদস্য পদ প্রার্থী মো: ফারুক আহমদ,মো: মতিন
মিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম,কাশেম আলী,কামাল উদ্দিন,সুবজ আহমদ ও নাছির উদ্দিন।

আরো পড়ুন: বন্যায় দুর্গত মানুষের দ্বারে দ্বারে খাবার নিয়ে ঘুরছেন মধ্যনগরের ওসি জাহিদুল হক

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

সর্বশেষ সংবাদ

- Advertisment -