সোমবার, জুলাই ৪, ২০২২

পাহারী ঢলে যমুনায় অস্বাভাবিক পানি বৃদ্ধি কুলকান্দি হার্ড পয়েন্টে ভাঙ্গন

হোসেন শাহ্ ফকির, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:

- Advertisement -

জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার ১নং কুলকান্দি ইউনিয়ন যমুনার করাল গ্রাসে ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১-২২ সাল পর্যন্ত ১০০ ভাগের ৯০ ভাগই নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ওই সময় সরকার স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে হরিণধরা বাঁধ নির্মাণ করেন। পরবর্তীতে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাঁধটি যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়।

- Advertisement -

জানাগেছে, গত কয়েক দিনে অব্যাহত ভারী বর্ষণে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে যমুনায় ১০১ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধির পায়। ফলে হার্ড পয়েণ্টে বাঁধ ৫০মিটার ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়। গত ১৮ মে বিকাল ৪টার সময় কুলকান্দি হার্ডপয়েন্টের উত্তর পাশে সিসি বøকে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে সিসি বøক। পানি উন্নয়ন বোর্ড খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পরিদর্শন করে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ভাঙন স্থানে ড্রাম্পিং শুরু করেছে।

এ দিকে নদী ভাঙ্গন আতংকে রয়েছে পাইলিং পাড়, মধ্য পাড়া, বাজারী পাড়া, মিয়া পাড়া, বিশিষ্ট কবি সাহিত্যিক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান হাফিজুর রহমানের বাড়ী, পারিবারিক কবরস্থান, মাগুন মিয়ার বাজর, শাচ্ছুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়, কুলকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদরাসা, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে।

- Advertisement -

এলাকাবাসী বদিউজ্জামান জানান, ১৯৯৫-৯৬ সালে ফ্যাপ ২১-২২ কাজের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ হলে আমরা এলাকাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি। ২৫-২৬ বছরে বাঁধটি ভাল ছিল। বর্তমানে একশ্রেণীর বালু সিন্ডিকেট (বালু ব্যবসায়ী) বাঁধের পশ্চিমে অনেক উচা বালুর চর পড়লে ওই বালু ব্যবসায়ীরা দিনের পর দিন ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন করলে ওই জায়গাটি গভীর হলে বন্যার সময় হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাঁধে আঘাত হানে। ফলে গত ১৮ মে বিকাল ৪টার সময় সিসি বøক নদীতে বিলীন হয়ে পড়ে। পানি উন্নয় বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে ভাঙ্গন স্থানে বালু বস্তা ফেলে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করার চেষ্টা চালায়।

এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বার বার নদী ভাঙ্গনে আমরা আতংকের মধ্যে রয়েছি। সরকার স্থায়ী বাঁধের ব্যবস্থা করে না কেন?
এ ব্যাপারে পানি উন্নয় বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু ছাইদকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানির ¯্রােত বেড়ে যায়। গত ১৮ মে সারাদিনে যমুনা নদীর পানি ১০১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা খবর পেয়ে সাথে সাথে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে জিও ব্যাগ বালু ভর্তি বস্তা ভাঙ্গন স্থানে ড্রাম্পিং কাজ শুরু করি। ড্রাম্পিং চলমান থাকবে।

- Advertisement -

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশ নিরাপদ: খাদ্যমন্ত্রী

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

সর্বশেষ সংবাদ

- Advertisment -