রবিবার, অক্টোবর ২, ২০২২

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

কলিহাসান, স্টাফ রিপোর্টার

- Advertisement -

গত ২০জুলাই ২০২২ইং রোজ বুধবার ‘দুর্গাপুরে গৃহবধূকে নির্যাতন,হাসপাতালে ভর্তি’ শিরোনামে “দৈনিক সকালের সময়” অনলাইন পোর্টাল ও ২১ জুলাই ২০২২ইং দৈনিক সকালের সময় পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সনে “দুর্গাপুরে গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদটি একটি ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক তথ্য দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। আমি ওই প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

- Advertisement -

এক প্রতিবাদলিপিতে ভুক্তভোগী মানিক মিয়া জানান,আব্দুস সাত্তারের পুত্র মানিক মিয়া(২৮), সাং-শান্তিপুর,দুর্গাপুর,নেত্রকোণা। বাকলজোড়া ইউনিয়নের নগরসিংহা গ্রামের আছর উদ্দিন খলিফার মেয়ে আমেনা (২০) এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিবাহের ১বছর পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে মৃত পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। এর কয়েকদিন পরেই স্ত্রীকে নিয়ে আমি ঢাকার একটি গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে চাকরি নেই। ইনকামের টাকা বাবা-মায়েদের দিতে চাইলে স্ত্রী আমেনা খাতুন প্রায় সময়ই ঝগড়া বিবাদ করিত। টু-টা শব্দ থেকেই প্রায় সময়ই আমার মা-বাবা তুলে বকাবকি শুরু করতো। নিরুপায় হয়ে স্ত্রীর যন্ত্রনা সহ্য করেই সংসার ও দিনাতিপাত করতেছিলাম।

সম্প্রতি ঈদুল আযহার ১দিন পর ঢাকার বাড়া বাসায় তালা দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে আসি। ঈদেও আগের আসার প্রস্তুতি ছিল কিন্তু স্ত্রীর অতিরঞ্জিত বাড়াবাড়ির কারনে বাড়িতে আসতে পারিনি। আমাদের বিয়ের ঘটক ছিলেন শান্তিপুর গ্রামের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার বাবলু, তিনি আমার স্ত্রীর সম্পর্কে শ্যালিকা হন। সেই সুবাধে বাড়িতে আসার পর স্ত্রীর সাথে হালকা কথা কাটির জের ধরে ওই ইউপি সদস্য বাবলু আমার স্ত্রী আমেনা খাতুনকে নানাভাবে ফুসলিয়ে মারধরের ঘটনার নাটক সাজিয়ে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করে। দুদিন চিকিৎসার পর পিত্রালয়ে নিয়ে যান। ওই সাজানো মারধরের ঘটনাটি দিয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মিথ্যে তথ্য দিয়ে আমার পিতা-মাতাকে জড়িয়ে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ পরিবেশন করিয়েছে।

- Advertisement -

যা পুরোপুরি মিথ্যে,আমাকে হয়রানী করার জন্য একটি নীল নকশার পায়তারা বটে। স্বামী-স্ত্রীর হালকা কথা কাটির জের ধরে বেশ কয়েকদিন নিজের গায়ের ওড়না দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টাও চালিয়েছে আমেনা খাতুন। হঠাৎ একদিন আমাকে না জানিয়ে মাওনা বোনের বাড়িতে চলে যান স্ত্রী আমেনা খাতুন। এ বিষয়ে শ^াশুড়িকে ফোন করা হলে তিনি উল্টো চাপ দিয়ে বলেন,আমার মেয়েকে কোথায় মেরে রাখছেন,দ্রুত বের করে দেন। তা না হলে এর পরিণতি খুব খারাপ হবে। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে স্ত্রীর সহোদর ভাইকে দিয়ে ঢাকার বাড়াটিয়া বাসার সকল মালামাল ও স্বর্ণারংকার এনে ফেলে।

আমি কোন সন্তান নষ্ট করিনি। সেই রকমের কোন প্রমাণপত্র থাকলে আইনিভাবে যা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে আমি তা মাথা পেতে নেব। আর শ^শুড়ালয় থেকে কোন দিন যৌতুকের টাকা এনে দিতে চাপও প্রয়োগ করিনি। আমাকে মিথ্যে তথ্য দিয়ে আইনিভাবে ফাঁসাতে তৎপর রয়েছেন। আমি কোন অন্যায় কাজের সাথে জড়িত নই। আর আমি ও আমার মা-বাবাকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই।

- Advertisement -

প্রতিবাদকারী
মানিক মিয়া
পিতা-আব্দুস সাত্তার
সাং- শান্তিপুর,দুর্গাপুর,নেত্রকোণা।

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে ‘প্রধানমন্ত্রীর উপহার’ হিসেবে ঘর পেলেন ০৭ জন গৃহ ও ভূমিহীন পরিবার

- Advertisement -
এই জাতীয় আরও সংবাদ
- Advertisment -

জনপ্রিয় সংবাদ